• ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ৩১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

North Bengal

রাজ্য

আজও বৃষ্টির দাপট দক্ষিণবঙ্গে, ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা মেদিনীপুরে; উত্তরবঙ্গেও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা, ২৫ জুলাই: বর্ষার সক্রিয় পরিস্থিতির জেরে আজও বৃষ্টিতে ভিজতে পারে পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সমস্ত জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আজ বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি এবং এক-দুটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই আজ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার এক-দুটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সেখানে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও বজ্রপাত ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার হতে পারে।আজ দক্ষিণবঙ্গের এক-দুটি জায়গায় ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন শহর ও গ্রামীণ এলাকায় সাময়িক জল জমার আশঙ্কা রয়েছে। নিচু এলাকা, রাস্তা ও আন্ডারপাসে জল জমে যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।২৬ জুলাই আরও বাড়বে বৃষ্টির তীব্রতাআবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরের এক-দুটি জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়াতেও এক-দুটি জায়গায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। অন্যান্য জেলাতেও বজ্রপাত ও ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।উত্তরবঙ্গেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাউত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রেও আজ আবহাওয়া পুরোপুরি শুকনো থাকার সম্ভাবনা নেই। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদহসমস্ত জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। এক-দুটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।তবে আগামী কয়েকদিনে উত্তরবঙ্গের বৃষ্টির প্রবণতা ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। ২৭ জুলাই দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পংয়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২৮ ও ২৯ জুলাই দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পংয়ে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ৩০ জুলাইও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।২৭ জুলাই থেকে ফের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাদক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন বর্ষার প্রভাব বজায় থাকবে। ২৭ জুলাই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর ২৮ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের বর্ধিত পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৪ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত উত্তর ও দক্ষিণদুই বঙ্গেই বিস্তীর্ণ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। এই সময়ে দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।সতর্ক থাকার পরামর্শবৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, জলাশয় বা গাছের নিচে না থাকার পরামর্শ রয়েছে। ভারী বৃষ্টির সময় অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়াই নিরাপদ।টানা বৃষ্টির জেরে নিচু এলাকায় জল জমা, কাঁচা রাস্তার ক্ষতি এবং দুর্বল বাড়িঘরের ক্ষতির আশঙ্কাও রয়েছে। কৃষকদেরও জমিতে জল জমার পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে, আজ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি তুলনামূলকভাবে বেশি বিস্তৃত হলেও আগামী ২৬ জুলাই পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা বিশেষ নজরে রয়েছে। উত্তরবঙ্গে আজ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও আগামী ২৭ জুলাই থেকে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং-সহ পাহাড় ও ডুয়ার্স এলাকায় বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

আকাশ কালো, থামছেই না বৃষ্টি! দক্ষিণবঙ্গে ভিজবে আরও, উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতায় আতঙ্ক

সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। বিভিন্ন জেলায় চলছে বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও দমকা হাওয়া বইতে পারে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, নিম্নচাপ কিছুটা দুর্বল হলেও তার প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটেনি। একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প স্থলভাগে প্রবেশ করছে। সেই কারণেই উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও কালিম্পং জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, একদিনে ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে। কোচবিহারে রবিবার কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। সোমবার সকাল পর্যন্ত এই জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে। মঙ্গলবার দুই ২৪ পরগনা ও নদিয়ায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও হাওড়ায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবারও কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে কলকাতার জন্য আপাতত আলাদা কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি।এদিকে, টানা বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে ধূপগুড়ি শহর। পৌরসভার ১৬টি ওয়ার্ডের বহু নিচু এলাকায় জল জমেছে। একাধিক বাড়িতে বৃষ্টির জল ঢুকে পড়েছে। নোংরা ড্রেনের জল মাড়িয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

জুলাই ১৯, ২০২৬
রাজ্য

বুধবার স্বস্তি, কিন্তু রথের দিনই বাড়বে দুর্যোগ! আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বাড়ল দুশ্চিন্তা

রথযাত্রার আগে ফের বৃষ্টির দাপট বাড়তে চলেছে বাংলায়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি চলবে আগামী কয়েক দিন। বুধবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমলেও, বৃহস্পতিবার অর্থাৎ রথযাত্রার দিন ফের বৃষ্টি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বাংলাদেশ এবং উত্তর-পশ্চিম বিহারে দুটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। বিহার থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই সঙ্গে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর মৌসুমি অক্ষরেখাও সক্রিয় থাকায় দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।রবিবার মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবারও একাধিক জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বুধবার কিছুটা স্বস্তি মিললেও বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিন ফের বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। ওই দিন উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতাতেও মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। শুক্রবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতায় রবিবার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার বৃষ্টি কিছুটা বাড়তে পারে। মঙ্গলবার ও বুধবার তুলনামূলকভাবে বৃষ্টি কম থাকবে। তবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার আবারও বৃষ্টির দাপট বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে অতিভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে। অতিভারী বৃষ্টির জেরে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

জুলাই ১২, ২০২৬
রাজ্য

দক্ষিণে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি, উত্তরে লাল সতর্কতা! ঝোড়ো হাওয়া-ভারী বর্ষণে দুর্যোগের আশঙ্কা, কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া?

রাজ্যের আবহাওয়ায় ফের বদলের ইঙ্গিত। উত্তরবঙ্গে সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখা এবং অনুকূল বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতির জেরে পাহাড় ও ডুয়ার্সে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সেই কারণে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে বুধবারের জন্য লাল সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে আপাতত বড়সড় দুর্যোগের সম্ভাবনা না থাকলেও কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। সপ্তাহের শেষের দিকে অবশ্য দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।বুধবার দক্ষিণবঙ্গের দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূম জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া-সহ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বুধবার বড় ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।তবে বৃহস্পতিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। কলকাতা-সহ হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। শুক্রবার থেকে পরিস্থিতি আরও বদলাবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সমস্ত জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ বাংলায় শুরু এনকাউন্টার! বারুইপুরে পুলিশের হেফাজত থেকে পালাতে গিয়ে নিহত ধর্ষণ-খুনের মূল অভিযুক্তকলকাতার ক্ষেত্রেও বুধবার আকাশ সারাদিনই মূলত মেঘলা থাকবে। কোথাও কোথাও হালকা বা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। তবে তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হবে না। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২.৩ ডিগ্রি কম। অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় সামান্য বেশি।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি অনেকটাই উদ্বেগজনক। বুধবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কালিম্পং, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায়ও ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। দুই দিনাজপুর ও মালদহ বাদে উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।পাহাড়ি এলাকায় টানা বর্ষণের ফলে ভূমিধস, রাস্তা ধসে যাওয়া এবং নদী-নালার জলস্তর বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ডুয়ার্স ও তরাই অঞ্চলেও জল জমা এবং পরিবহণে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোটামুটি বজায় থাকবে। তবে শুক্রবার থেকে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবুও উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।রাজ্যের একদিকে যখন উত্তরবঙ্গ ভারী বর্ষণের কবলে পড়তে চলেছে, তখন অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে সক্রিয় হতে শুরু করেছে বর্ষা। সপ্তাহের শেষভাগে প্রায় গোটা রাজ্যই ফের বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাবে ভিজতে পারে বলে পূর্বাভাস। ফলে সাধারণ মানুষকে প্রয়োজন ছাড়া অযথা বাইরে না বেরোনো এবং আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তার দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

আবহাওয়ার বড় সতর্কবার্তা! এই জেলাগুলিতে নামতে পারে প্রবল বৃষ্টি, সঙ্গে ঝড় ও বজ্রপাত

দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় আগামী কয়েক দিন বৃষ্টি ও ঝড়ের দাপট বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণবঙ্গের ছয় জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। মঙ্গলবার ও বুধবার বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলেও জানানো হয়েছে।আজ কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। দিনের বিভিন্ন সময়ে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী কয়েক দিনও একই ধরনের আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ারও আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার থেকে পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও বাড়বে। ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলতে পারে।উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। সোমবার পর্যন্ত লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও বৃষ্টির পরিমাণ দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। উত্তর দিনাজপুরে কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদহেও বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর সতর্ক করে জানিয়েছে, লাগাতার বৃষ্টির ফলে পাহাড়ি এলাকায় ধস নামতে পারে। নিচু এলাকা জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ি নদীগুলির জলস্তর বিপদসীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনেই বদলে যেতে পারে পরিস্থিতি! উত্তরবঙ্গে জারি ভয়াবহ বৃষ্টির সতর্কতা

দক্ষিণবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকলেও উত্তরবঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি চলছে। এবার সেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর। আগামী চার দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ে ধস, হড়পা বান এবং নদীর জলস্ফীতির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি দুধিয়া সেতুর অস্থায়ী বিকল্প পথের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিকিম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে আগামী চার দিন কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। পাহাড়ি নদী এবং ঝরনার আশপাশে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ প্রবল বৃষ্টির জেরে হঠাৎ হড়পা বানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টির দাপট বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোচবিহারেও বিশেষ সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কা, কিছু এলাকায় এক দিনে দুইশো মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুটান থেকে নেমে আসা জল এবং স্থানীয় বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এদিকে প্রবল বৃষ্টি, ধস এবং রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে সমস্যায় পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আরও প্রতিকূল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, দক্ষিণবঙ্গে পচা গরমে হাঁসফাঁস! কবে মিলবে স্বস্তি জানাল হাওয়া অফিস

উত্তরবঙ্গে টানা ভারী বৃষ্টিতে পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় আজ অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। পাহাড় ও ডুয়ার্সে আগামী কয়েকদিন আরও বৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচ জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি চলবে। সোমবার ও মঙ্গলবারও জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবারের পর থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টির পরিমাণ কমতে পারে বলে পূর্বাভাস।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। উত্তরবঙ্গে যখন মুষলধারে বৃষ্টি চলছে, তখন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল মানুষ। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় তাপমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি গরম অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানে অস্বস্তি সবচেয়ে বেশি থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী চার থেকে পাঁচ দিন দক্ষিণবঙ্গে গরম থেকে তেমন স্বস্তি মিলবে না। তবে এরপর দুই থেকে তিন ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা কমতে পারে। আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণেই ধীরে ধীরে কমতে পারে গরমের দাপট।কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকাতেও আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম ও পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।বর্তমানে ওড়িশার উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। উত্তর প্রদেশ থেকে ওই ঘূর্ণাবর্ত পর্যন্ত একটি অক্ষরেখাও বিস্তৃত রয়েছে। এই আবহাওয়াগত পরিস্থিতির জেরেই উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় এমন বড় ফারাক দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন আবহবিদরা।

মে ২৩, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে পৌঁছেই মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর! “ঘুরতে নয়, কাজ করতে আসব” মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

শিলিগুড়িতে পৌঁছেই উত্তরবঙ্গের মানুষকে প্রণাম জানালেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari। বুধবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামার পরই তিনি জানিয়ে দেন, এবার থেকে প্রতি মাসে উত্তরবঙ্গে আসবেন মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা। শুধু প্রশাসনিক বৈঠক নয়, উন্নয়নের কাজ সরেজমিনে খতিয়ে দেখতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘোষণা করা হয়েছে, প্রতি সপ্তাহে উত্তরকন্যায় বসবেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী Nisith Pramanik।উত্তরবঙ্গে পৌঁছেই শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তিনি বলেন, ঘুরতে নয়, এখানে কাজ করতে আসব। কথা কম বলব, কাজ বেশি করব। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee-কেই পরোক্ষে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু।এদিন উত্তরকন্যায় প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলার বিধায়ক, পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। বর্ষার আগে বন্যা, হড়পা বান, ভূমিধস, নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা, চিকিৎসা পরিষেবা, চা বাগানের সমস্যা, বেআইনি নির্মাণ, জমি দখল এবং বালি-পাথর মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানের কথাও জানানো হয়েছে।বেলা ১১টার কিছু পরে বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই বিমানবন্দরের বাইরে ভিড় জমিয়েছিলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং সাধারণ মানুষ। বিমানবন্দরের বাইরে বেরিয়ে হাতজোড় করে সকলকে নমস্কার জানান তিনি। উত্তরবঙ্গে বিজেপিকে বিপুল ভোটে জেতানোর জন্য মানুষকে ধন্যবাদও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর পাশে ছিলেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ Raju Bista এবং নিশীথ প্রামাণিক।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, উত্তরবঙ্গের পবিত্র ভূমিকে প্রণাম জানাই। ২০০৯ সাল থেকেই উত্তরবঙ্গ ও পাহাড় বিজেপিকে জায়গা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi এবং বিজেপি যে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের মানুষের ঋণ শোধ করবে সরকার।তিনি আরও জানান, প্রতি মাসে মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা উত্তরবঙ্গে আসবেন। প্রতি সপ্তাহে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উত্তরকন্যায় বসে সাধারণ মানুষের সমস্যা শুনবেন এবং উন্নয়নের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রশাসনিক বৈঠকের পাশাপাশি সাংসদ ও বিধায়কদের সঙ্গেও আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।উত্তরকন্যাকে পুরোপুরি সক্রিয় করার বার্তাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।উত্তরকন্যায় যাওয়ার আগে শিলিগুড়ির বিজেপি জেলা কার্যালয়েও যান শুভেন্দু অধিকারী। পথে একাধিক জায়গায় থামে তাঁর কনভয়। গাড়ি থেকে নেমে সাধারণ মানুষের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন তিনি। ছোট শিশুদের কোলে নিতেও দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। বিজেপি কার্যালয়ে পৌঁছলে দলীয় কর্মীরা তাঁকে সংবর্ধনা জানান। সেখানে সংগঠন আরও শক্তিশালী করার বার্তাও দেন শুভেন্দু।

মে ২০, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ঢুকছে বর্ষার বড় ইঙ্গিত! উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, ভিজবে একাধিক জেলা

আন্দামানে বর্ষা প্রবেশ করার পর থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই আগামী ২৬ মে কেরলে প্রবেশ করতে পারে বর্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রদেশ থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের উপর দিয়েই বিস্তৃত রয়েছে। এর জেরেই উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।রবিবার থেকেই উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলায় জারি করা হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা। পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের আটটি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। সোমবারও জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে এখনই ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই তাপমাত্রা বাড়বে বলে পূর্বাভাস। তবে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো পশ্চিমের জেলাগুলিতে স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হতে পারে। তার প্রভাবে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।কলকাতাতেও গরম ও অস্বস্তি বজায় থাকবে। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে সাতাশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও সামান্য হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও গরম থেকে এখনই স্বস্তির আশা নেই।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে নাগরিকত্ব! উত্তরবঙ্গে ৪০ জনকে শংসাপত্র ঘিরে তোলপাড়

উত্তরবঙ্গে ভোটের আগে নাগরিকত্ব দেওয়া নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে বসবাস করা অন্তত ৪০ জন মানুষকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজার মহকুমা এলাকায় ঘটেছে। নাগরিকত্বের শংসাপত্র হাতে পেয়ে স্বস্তি ও খুশি প্রকাশ করেছেন ওই পরিবারগুলি।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে তথ্য যাচাই করার পর এই নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অনুযায়ী দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাস করলেও যাঁরা আইনি স্বীকৃতি পাননি, তাঁদের এই শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। ফলে তাঁদের কাছে এটি একটি বড় স্বস্তির বিষয়।গত কয়েক মাস ধরে আবেদন যাচাই, শুনানি এবং নথিপত্র খতিয়ে দেখার পর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ক্রান্তি ব্লক থেকে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছিল। ভোজারি পাড়া-সহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পরিবার ইতিমধ্যেই এই সুবিধা পেয়েছে। এছাড়াও ময়নাগুড়ি, রাজগঞ্জ এবং জলপাইগুড়ির অন্যান্য এলাকা থেকেও বেশ কিছু মানুষ নাগরিকত্ব পেয়েছেন।এই নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘটনা সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটের আগে এই পদক্ষেপকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠছে। একই সময়ে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে নাম বাদ পড়ার অভিযোগও সামনে এসেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।সব মিলিয়ে নাগরিকত্ব প্রদান এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের এই দুই ইস্যু উত্তরবঙ্গের নির্বাচনী পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পালাতে গিয়ে ধরা! কালিয়াচক হিংসায় মূল অভিযুক্ত নিয়ে বিস্ফোরক দাবি পুলিশের

কালিয়াচকের (Kaliachak Violance) ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার ইতিমধ্যেই নিন্দা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালত স্তরেও। এর মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে মোফাক্কেরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে, যিনি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকের বিশাল জমায়েতে তাঁকে একটি গাড়ির ছাদে উঠে বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছিল (Kaliachak Violance)। সেই ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ওই জমায়েতে উত্তেজনা ছড়ানোর পিছনে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।এই বিষয়ে উত্তরবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক কে জয়রামন সাংবাদিক বৈঠকে জানান, কালিয়াচকের ঘটনায় মালদহ জেলায় মোট উনিশটি মামলা দায়ের হয়েছে (Kaliachak Violance)। ইতিমধ্যে তেত্রিশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মোফাক্কেরুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে।তিনি জানান, ধৃত ব্যক্তি ইটাহার থানার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন আইনজীবী। পুলিশের দাবি, তিনিই মূলত উস্কানি দিচ্ছিলেন। ভাইরাল ভিডিয়ো থেকেও সেই প্রমাণ মিলেছে। সিআইডির সহায়তায় এবং শিলিগুড়ি পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তাঁরা বেঙ্গালুরু পালানোর চেষ্টা করছিলেন।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে কালিয়াচকের ঘটনায় তিনটি মামলায় নাম রয়েছে। অন্য কোনও ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Kaliachak Violance)।বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে থাকার বিষয়ে পুলিশ স্বীকার করেছে যে কিছুটা দেরি হয়েছিল। জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে অনেক মহিলা ও শিশু উপস্থিত থাকায় জোর করে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এই দেরির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং কারা কারা এই উত্তেজনা ছড়ানোর সঙ্গে যুক্ত ছিল, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের দায়িত্ব নিতে পারে এবং ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় চমক! শিলিগুড়িতে মোদীর রোড শো, জোর প্রস্তুতি বিজেপির

ভোটের মুখে বাংলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা আরও বাড়াল বিজেপি। আগামী সপ্তাহেই রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দলীয় সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গ বিশেষ করে শিলিগুড়িতে সাত অথবা আট এপ্রিল রোড শো করতে পারেন তিনি। একই সঙ্গে একাধিক জনসভাও করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই সফর ঘিরে শিলিগুড়িতে বৈঠকে বসেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। উত্তরবঙ্গের সংগঠনকে আরও মজবুত করতে কেন্দ্রীয় নেতারা ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চালাচ্ছেন।দলীয় সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, উত্তরবঙ্গে মোট চারটি জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সূচি চূড়ান্ত করতে দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি নেতৃত্ব।এদিকে খুব শীঘ্রই রাজ্যে আসতে পারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি এলে মূলত সাংগঠনিক বৈঠকের ওপর জোর দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগ করে দলীয় সংগঠন নিয়ে আলাদা আলাদা বৈঠক করতে পারেন তিনি। যদিও তাঁর পূর্ণ সূচি এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। সূত্রের খবর, পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে কয়েকটি জনসভাও করতে পারেন তিনি।এই নির্বাচনে বিজেপি দুইশোর বেশি আসন জয়ের লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার এই লক্ষ্য সামনে রেখে কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করছেন। এর আগেই অমিত শাহ বাংলায় এসে এই লক্ষ্য স্পষ্ট করেছিলেন। তাঁর দাবি, এবার বিজেপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে চায়।অন্যদিকে, বিজেপির এই লক্ষ্যকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা আরও বেশি আসন জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। একই সঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দুই কেন্দ্র থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা এই নির্বাচনে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।মোটের উপর ভোটের আগে বাংলায় রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। একের পর এক কেন্দ্রীয় নেতার সফর ঘিরে এখন তুঙ্গে প্রস্তুতি এবং জল্পনা।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

ফেব্রুয়ারিতেও শীতের দাপট! কলকাতা থেকে দার্জিলিং, পারদ নামছে হু হু করে

যাচ্ছি যাচ্ছি করেও যেন বিদায় নিচ্ছে না শীত। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহের শেষেই আবার হিমেল হাওয়া ফিরছে বাংলায়। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব ধীরে ধীরে কমলেও তার ফাঁকেই শীতের অনুভূতি আবার কিছুটা বাড়ছে। কলকাতা সহ গোটা পশ্চিমবঙ্গে আপাতত তাপমাত্রা স্বাভাবিকের মধ্যেই রয়েছে। তবে সপ্তাহের শেষে পারদ আরও নামবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উইকেন্ডে কলকাতার তাপমাত্রা আবার ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে নামতে পারে। রাত ও ভোরের দিকে শীতের আমেজ আরও স্পষ্ট হবে। যদিও আকাশ পরিষ্কার থাকবে এবং বড় কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।ঘন কুয়াশার সতর্কতা আপাতত জারি করা হয়নি। তবে জেলাগুলিতে সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী কয়েক দিন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলায় কুয়াশার দাপট তুলনামূলক বেশি হতে পারে। কলকাতা সহ অন্য জেলাগুলিতেও ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে।আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্তমানে উত্তর-পূর্ব ইরান ও আফগানিস্তান সংলগ্ন এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব অসম এবং দক্ষিণ-পূর্ব আরবসাগর সংলগ্ন এলাকায় ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। এর প্রভাবেই রাজ্যের আবহাওয়ায় এই বদল। রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি আরও একটি নতুন পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে। তার প্রভাবে শীতের অনুভূতি আবার কিছুটা কমতে পারে।কলকাতায় ইতিমধ্যেই হালকা শীতের আমেজ ফিরেছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.১ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা রয়েছে ৪২ থেকে ৮৯ শতাংশের মধ্যে। আগামী সাত দিন আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় উইকেন্ডের মধ্যে তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে। উপকূলবর্তী এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে পারদ ১০ থেকে ১২ ডিগ্রির কাছাকাছি নামতে পারে।উত্তরবঙ্গে আপাতত ঘন কুয়াশার কোনও সতর্কতা নেই। তবে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে প্রায় সব জেলাতেই। আগামী চার-পাঁচ দিন উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় রবিবার পর্যন্ত তাপমাত্রা ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। কালিম্পং সহ সমতলের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি এবং মালদহের মতো জেলাগুলিতে ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এক রাতেই ১৩ বার কাঁপল সিকিম! গভীর রাতে ভূমিকম্পে আতঙ্ক পাহাড়ে

একটা নয়, পরপর একাধিক ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিকিম। গভীর রাতে আচমকা শুরু হওয়া এই ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়ায় পাহাড়ে। সিকিমের ভূমিকম্পের প্রভাব পড়ে উত্তরবঙ্গেও। জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যে সিকিমে মোট ১৩টি ভূমিকম্প হয়েছে।জানা গিয়েছে, রাত দেড়টা নাগাদ সিকিমের গেলসিং এলাকায় প্রথম বড় কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে সেই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৫। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল। মূল কম্পনের পরেই শুরু হয় একের পর এক আফটারশক।পুলিশ ও প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সিকিমের মঙ্গন এলাকায় সাতটি ছোট মাত্রার ভূমিকম্প হয়। নামচিতে চারটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। গ্যাংটকেও ৩.১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়। এই কম্পনের জেরে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গাতেও মাটি কেঁপে ওঠে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।মধ্য রাতে একের পর এক ভূমিকম্প হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। অনেকেই ঘুম ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসেন। কেউ কেউ হোটেল বা বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকেন। সামাজিক মাধ্যমে বহু মানুষ নিজেদের ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিয়েছেন।তবে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
রাজ্য

শিলিগুড়িতে মহাকাল মহাতীর্থের শিলান্যাস, বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি ও ১২ জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপে নতুন তীর্থক্ষেত্র

শিলিগুড়ি জেলার মাটিগাড়ায় এক ঐতিহাসিক ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রকল্পের সূচনা হল বুধবার। মহাকাল মহাতীর্থ-সহ একাধিক জনহিতকর ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের শুভ শিলান্যাস করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৭.৪১ একর জমির উপর গড়ে উঠতে চলা মহাকাল মহাতীর্থকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্যজুড়ে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শিবমন্দির নির্মাণ করা হবে। মন্দির চত্বরে থাকবে ভারতবর্ষের ১২টি জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপ এবং ১২টি অভিষেক লিঙ্গ মন্দির। দুটি প্রবেশপথ, চার কোণে চার দেবতার মূর্তি, সাংস্কৃতিক হল ও কনভেনশন সেন্টার এই মহাতীর্থকে এক পূর্ণাঙ্গ ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে। মহাকাল মূর্তির মোট উচ্চতা হবে ২১৬ ফুট, যার মধ্যে ১০৮ ফুট উচ্চ ব্রোঞ্জের মূল মূর্তি বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যেই মন্দির নির্মাণের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু মন্দির নয়, মহাদর্শনের জন্য বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তিও এখানে তৈরি করা হচ্ছে। বাংলার এই পুণ্যতীর্থ যুগ-যুগান্ত ধরে বাংলার কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে থাকবে।ভাষণে রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, বাংলা সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভূমি। কালীঘাট ও দক্ষিণেশ্বরে স্কাইওয়াক, দিঘায় জগন্নাথ ধাম ও দুর্গা অঙ্গন নির্মাণের পাশাপাশি রাজ্য সরকার বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানের উন্নয়ন ও সংস্কারে নিরন্তর কাজ করেছে। তারকেশ্বর, তারাপীঠ, কঙ্কালীতলা, জল্পেশ মন্দির, ফুল্লরা মন্দির, মদনমোহন মন্দির থেকে শুরু করে পাথরচাপুরি মাজার, মাহেশের জগন্নাথ মন্দিরএকাধিক তীর্থক্ষেত্রের সংস্কার ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফুরফুরা শরিফের উন্নয়ন, জাহের থান ও মাঝি থানগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন, কবরস্থান সংস্কার এবং ইসকনকে ৭০০ একর জমি দেওয়ার মতো পদক্ষেপ রাজ্যের সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভাবনাকেই তুলে ধরে। ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতি রক্ষায় দার্জিলিং ও কলকাতার বাড়ি রামকৃষ্ণ মিশনের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও স্মরণ করান তিনি।মতুয়া সমাজ, রাজবংশী, তপশিলি ও আদিবাসী সম্প্রদায়-সহ সব শ্রেণির মানুষের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্ম মুখে প্রচার করা যায় না, ধর্ম হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়। ভাষণের শেষে তিনি মহাদেবের আশীর্বাদে বিশ্বচরাচরে শান্তি, সৌহার্দ্য ও কল্যাণ কামনা করেন।মাটিগাড়ার মহাকাল মহাতীর্থ প্রকল্প শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং উত্তরবঙ্গের পর্যটন, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক বিকাশের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলেই মনে করছে প্রশাসন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে এনআরসির নোটিসে আতঙ্ক, মমতার মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল

বাংলায় এসআইআর শুরু হওয়ার আগেই উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় অসম সরকারের পক্ষ থেকে এনআরসি-র নোটিস পাঠানো হচ্ছিল। এ নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিল তৃণমূল। এবার সরাসরি মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোচবিহারের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে পুলিশকে দিলেন কড়া নির্দেশ।বৈঠকে মমতা বলেন, বাংলার নাগরিকদের কাছে অসম সরকারের নোটিস পাঠানোর কোনও অধিকার নেই। নমঃশূদ্র ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি জানান, বাংলায় ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরির প্রশ্নই নেই। তিনি বলেন, মানুষকে সম্মান নিয়ে বাঁচতে দিতে হবে, ভয় দেখিয়ে নয়। মমতা স্পষ্ট নির্দেশ দেন, অন্য রাজ্যের কেউ এসে বাংলার সাধারণ মানুষকে গ্রেফতার করে নিয়ে যেতে পারবে না। পুলিশকে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি কোনও অপরাধীকে ধরতে অন্য রাজ্য আসে, তাহলে রাজ্যের সঙ্গে কথা বলতে হবে। কিন্তু সাধারণ মানুষের নামে অভিযোগ মানেই সে অপরাধী নয়।সাম্প্রতিক কয়েক মাসে আলিপুরদুয়ারের জটেশ্বরের এক গৃহবধূর কাছে এনআরসি নোটিস পৌঁছেছিল। কোচবিহারেও একই ঘটনা ঘটেছিল। সেই নিয়ে এলাকাজুড়ে উদ্বেগ ও জল্পনা তৈরি হয়। এই প্রেক্ষিতেই মমতা ফের জানালেন, বাংলার মানুষকে এনআরসির নামে আতঙ্ক দেখিয়ে হেনস্থা করতে দেবেন না।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড় বনাম শীত! ডিসেম্বরের শুরুতে কোন দিকে পাল্টাবে আবহাওয়া?

নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেই উত্তরবঙ্গ জুড়ে নেমে এসেছে শীতের প্রকট কামড়। দার্জিলিংয়ে তাপমাত্রা এক লাফে নেমে পৌঁছেছে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। পাহাড়ে সকাল-সন্ধ্যায় হিমেল হাওয়া ও তীব্র ঠান্ডায় স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকরাও শীতের স্বাদ পাচ্ছেন। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি থেকে শুরু করে আলিপুরদুয়ার উত্তরের প্রায় সব জেলাতেই পারদ পতন স্পষ্ট। সকালের দিকে বহু জায়গায় কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে রাস্তা, যা শীতের অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। যদিও আপাতত উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, ফলে শুষ্ক আবহাওয়া চলবে এবং শীতও বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।কলকাতায়ও শীতের হাওয়া ঢুকে পড়েছে। বুধবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৩ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ওঠানামা করেছে ৪১ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে। ভোরবেলা হালকা কুয়াশা দেখা গেলেও বেলা বাড়লে আকাশ পরিষ্কার হচ্ছে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা এই মুহূর্তে স্বাভাবিকের নিচেই রয়েছে। তবে আবহবিদদের মতে, আগামী দুই-তিন দিনে তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি বাড়তে পারে, কিন্তু সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে উঠবে না।এই সময়ই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে জোড়া নিম্নচাপ। তার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা উড়ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছেএই নতুন সিস্টেম কি দক্ষিণবঙ্গের শীতের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে? আবহাওয়াবিদদের মতে, নিম্নচাপের গতিপ্রকৃতির উপর অনেকটাই নির্ভর করছে শীতের আগ্রাসন। তবে এখনই শীত কমে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। আগামী কয়েকদিন সকালের কুয়াশা, রাতে হালকা ঠান্ডা আর দিনের দিকে কিছুটা উষ্ণতা এই মিলেমিশে তৈরি হবে ডিসেম্বরের শুরুর স্বাভাবিক আবহাওয়া।

নভেম্বর ২৬, ২০২৫
রাজ্য

মমতা ফিরছেন উত্তরবঙ্গে, এবার কারা হাতে পাবেন ক্ষতিপূরণের চেক?

বন্যা আর বিপর্যয়ের ক্ষত এখনও পুরোপুরি শুকোয়নি। জল নেমে গিয়েছে, কিন্তু জীবনের স্রোত এখনও থমকে আছে বহু মানুষের। এমন সময় ফের একবার উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী সোমবার বাগডোগরার উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি। এই সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে প্রশাসনের তরফে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিলিগুড়ির উত্তরকন্যায় বসবেন এক উচ্চ পর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে। ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলার জেলাশাসক ও শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকরা। নবান্নের তরফে ইতিমধ্যেই সেই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে জেলা প্রশাসনগুলিতে। সূত্র বলছে, মুখ্যমন্ত্রী বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন। জল নেমে গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলির অবস্থা এখনও স্বাভাবিক নয় বলে খবর।উত্তরবঙ্গের সাম্প্রতিক বন্যা-বিপর্যয় ছিল ভয়াবহ। দার্জিলিং, মিরিক ও কালিম্পংয়ে তছনছ হয়ে গিয়েছিল জীবনযাত্রা। বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল, আজও অনেকেই নিখোঁজ। সেই সময় দুবার উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে মৃতদের পরিবারের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন তিনি। এবার তিনি সেই পরিবারগুলির হাতে আর্থিক সাহায্যের চেক তুলে দিতে পারেন বলেই খবর মিলেছে প্রশাসনিক সূত্রে। মুখ্যমন্ত্রী আগেই ঘোষণা করেছিলেন, বন্যায় মৃতদের পরিবারকে পাঁচ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।তবে প্রশ্ন রয়ে যায় উত্তরবঙ্গ কি ফিরেছে নিজের ছন্দে? প্রশাসনের দাবি, ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এখনও বহু মানুষ রাজ্য সরকারের দেওয়া ত্রিপল মাথায় দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। কেউ কমিউনিটি কিচেনের খাবারে বেঁচে আছেন, কারও এখনও ঘর নেই, নথি নেই, মাথার উপরে ছাদ নেই। বন্যার পর কেটে গিয়েছে সপ্তাহ, তবুও জীবনের চাকা ঘুরছে না আগের মতো।ফলে মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর শুধুই প্রশাসনিক নয়, মানবিক বার্তাও বহন করছে। বন্যা-বিধ্বস্ত মানুষের পাশে থেকে তাঁদের আশ্বস্ত করাই এখন নবান্নের লক্ষ্য। রাজ্য সরকার চায়, উত্তরবঙ্গ ফের ফিরে পাক পুরনো ছন্দে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে ফের মুখ্যমন্ত্রী, নাগরাকাটায় নিহতদের পরিবারের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র ও ক্ষতিপূরণ

ফের উত্তরবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নাগরাকাটায় গিয়ে দুর্যোগ বিধ্বস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ালেন তিনি। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে হোমগার্ড পদে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী এদিন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের তদারকি করেন এবং দুর্গত এলাকার মানুষদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, যাদের ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে, রাজ্য সরকার তাদের ঘর নতুন করে তৈরি করে দেবে। কেউ একা নয়, সরকার আপনাদের পাশে আছে। দুর্যোগের পর এর আগেও একাধিকবার উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার ফের তিনি নাগরাকাটা, দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ির ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলি পরিদর্শনে যান। প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও পুনর্গঠন কর্মসূচির অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন তিনি।দুর্গাপুজো শেষ হতেই প্রকৃতির ভয়াল রোষে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। বিশেষ করে দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় ব্যাপক ভূমিধস ও বৃষ্টিপাতে বহু ঘরবাড়ি ধসে পড়ে। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিপুল। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি দার্জিলিঙের মিরিকে, যেখানে একাধিক জায়গায় ধস নেমে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।রাজ্য সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, প্রকৃতির রোষে আমরা হার মেনে যাব না, মানুষকে নিরাপদ রাখতে যা যা করার দরকার, রাজ্য সরকার তাই করবে। দুর্যোগের পর পরই রাজ্য প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা এবং মুখ্যমন্ত্রীর পরিদর্শন উত্তরবঙ্গের দুর্গত মানুষের মনে কিছুটা হলেও আশার সঞ্চার করেছে।

অক্টোবর ১৪, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

সীমান্তে একের পর এক গোপন যুদ্ধবিমান! উপগ্রহ ছবিতে ধরা পড়তেই বাড়ল ভারতের উদ্বেগ

সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা উপগ্রহ ছবিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বেসরকারি সংস্থা ভ্যান্টরের প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গিয়েছে, ভারতের উত্তর সীমান্তের কাছে চিনের দুটি বিমানঘাঁটিতে মোট বারোটি স্টেলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে সামরিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। তবে চিনের এই পদক্ষেপ শক্তি প্রদর্শন নাকি নিয়মিত সামরিক প্রস্তুতির অংশ, তা এখনও স্পষ্ট নয়।প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসের উপগ্রহ ছবিতে জিনজিয়াংয়ের হোটান বিমানঘাঁটিতে আটটি যুদ্ধবিমান দেখা গিয়েছে। এই ঘাঁটি উত্তর লাদাখের ভারতীয় সামরিক ঘাঁটির তুলনায় তুলনামূলকভাবে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। আবার জুন মাসের আর একটি উপগ্রহ ছবিতে তিব্বতের ডামসুং বিমানঘাঁটিতে আরও চারটি একই ধরনের যুদ্ধবিমান দেখা যায়। এই ঘাঁটিও অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তের কাছাকাছি।সব মিলিয়ে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি পৃথক বিমানঘাঁটিতে মোট বারোটি স্টেলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ছবি সামনে এসেছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ভারতের সীমান্তের এত কাছে একসঙ্গে এত সংখ্যক এই ধরনের যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ঘটনা আগে প্রকাশ্যে আসেনি। তাই বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্ব পাচ্ছে।এই যুদ্ধবিমানগুলির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল, এগুলি এমনভাবে তৈরি যে সাধারণ রাডারে সহজে ধরা পড়ে না। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে এগুলি আকাশযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হয়। এই কারণেই সীমান্তের কাছে এই ধরনের যুদ্ধবিমান মোতায়েনের খবরকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।তবে এখনও পর্যন্ত এই উপগ্রহ ছবির বিষয়ে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বা ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ফলে চিনের এই পদক্ষেপের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে জল্পনা চললেও সরকারি স্তরে এখনও কোনও মন্তব্য সামনে আসেনি।

জুলাই ৩০, ২০২৬
রাজ্য

লিফট, জিম, সুইমিং পুল, ব্যক্তিগত থিয়েটার! টুলুর বাড়ির অন্দরমহল দেখে চমকে গেল পুলিশ

বীরভূমের সিউড়িতে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশের তল্লাশি ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সুভাষপল্লিতে অবস্থিত তাঁর বিশাল বাড়ির অন্দরসজ্জা এবং বিলাসবহুল ব্যবস্থা নজর কেড়েছে। তদন্তের স্বার্থে সেখানে পুলিশি তল্লাশি চললেও এখনও পর্যন্ত নগদ টাকা বা সোনা উদ্ধারের সরকারি তথ্য সামনে আসেনি।বাড়ির প্রবেশদ্বার পেরোলেই রয়েছে বড় সাজানো বাগান। বিভিন্ন বিদেশি ও বাহারি গাছ, পরিচ্ছন্ন লন এবং সারিবদ্ধ গাছপালা পুরো এলাকাকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। চারতলা এই বাড়ির ভিতরে এক তলা থেকে অন্য তলায় ওঠানামার জন্য লিফট রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে আধুনিক শরীরচর্চার ব্যবস্থা, ব্যক্তিগত সিনেমা দেখার ঘর এবং সুইমিং পুল। মার্বেল পাথরে তৈরি মেঝে, দৃষ্টিনন্দন আলো এবং সুসজ্জিত অন্দরমহল বাড়িটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।বাড়িতে রয়েছে একাধিক গ্যারেজ এবং সেখানে রাখা রয়েছে দামি গাড়ি। এছাড়া সিউড়ির পাশাপাশি মহম্মদবাজার এলাকাতেও টুলু মণ্ডলের ব্যবসা সংক্রান্ত পরিকাঠামো রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিনার মণ্ডলের বাড়িতে উদ্ধার হওয়া বিপুল নগদের উৎস খতিয়ে দেখতেই টুলু মণ্ডলের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সুভাষপল্লির বাড়িতেও জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। তদন্তকারীদের সঙ্গে স্বর্ণকারও সেখানে পৌঁছেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই বাড়ি থেকে সোনা বা নগদ টাকা উদ্ধারের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও সরকারি ঘোষণা করা হয়নি। তদন্ত এখনও চলছে।

জুলাই ৩০, ২০২৬
দেশ

বড় ইঙ্গিত সৌগতের! তৃণমূলে ফিরছেন তিন সংখ্যালঘু সাংসদ? রাজনৈতিক মহলে তুমুল জল্পনা

তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে যাওয়া তিন সংখ্যালঘু সাংসদকে ঘিরে আবারও রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁদের অনুপস্থিতি এবং পরে তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা সৌগত রায়ের মন্তব্য নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।সৌগত রায় জানিয়েছেন, দল ছেড়ে যাওয়া কয়েকজন সাংসদের সঙ্গে এখনও তাঁদের যোগাযোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, তিন সংখ্যালঘু সাংসদ-সহ আরও কয়েকজন বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।সৌগত রায়ের বক্তব্য, প্রথমে তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে যাওয়া এবং পরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ায় অনেকের মধ্যেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই কয়েকজন সাংসদ নতুন করে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন। তবে কারা কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলেই জানিয়েছেন তিনি।তিনি আরও দাবি করেছেন, পুরো বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের জানা রয়েছে। যদি ওই সাংসদরা আবার তৃণমূলে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে করা দলত্যাগ সংক্রান্ত পদক্ষেপ নিয়েও নতুন করে ভাবা হতে পারে।এদিকে, বাদল অধিবেশন চলাকালীন দিল্লিতে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও ওই তিন সাংসদ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেননি। এরপর থেকেই তাঁদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। এখন নজর, আগামী দিনে তাঁরা সত্যিই নতুন সিদ্ধান্ত নেন কি না।

জুলাই ৩০, ২০২৬
রাজ্য

'জীবিকায় ভাগ বসাচ্ছে রোহিঙ্গারা', অভিযোগ তুলে পথে নামল বহরমপুরের তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে বৃহস্পতিবার সকালে তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের একাংশ বিক্ষোভ মিছিল করে বহরমপুর থানায় স্মারকলিপি জমা দেন। বহরমপুর শহর এবং সংলগ্ন এলাকার বহু তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায় এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের দাবি, সম্প্রতি এলাকার সামাজিক ও পেশাগত পরিবেশে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যার ফলে স্থানীয়দের জীবিকা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বহিরাগত কিছু হিজড়া স্থানীয় এলাকায় এসে বিভিন্ন কাজে যুক্ত হচ্ছেন। তাঁদের আরও দাবি, এদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি রোহিঙ্গা বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। যদিও এই দাবির পক্ষে কোনও সরকারি বা প্রশাসনিক নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, এই বহিরাগতদের সহায়তায় স্থানীয় তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের কিছু সদস্য কাজ করছেন, যার ফলে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বহিরাগতদের কারণে তাঁদের দীর্ঘদিনের আয়ের উৎসে প্রভাব পড়ছে এবং আর্থিক সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে। পাশাপাশি, কয়েকজন বিক্ষোভকারী দাবি করেন, তাঁদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগেরও স্বাধীনভাবে কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে বহরমপুর থানায় স্মারকলিপি দেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের আবেদন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রকৃত পরিচয় যাচাই করা হোক এবং স্থানীয় তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও জীবিকার স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।এ বিষয়ে পুলিশের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

এনকাউন্টার নিয়ে বড় প্রশ্ন! বারুইপুর কাণ্ডে পুলিশের কাছে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্তের এনকাউন্টার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। অভিযুক্তকে কী পরিস্থিতিতে গুলি করা হয়েছিল, সেই বিষয়ে জেলা পুলিশের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে আদালত। হলফনামা আকারে সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। আগামী সতেরো অগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।এই ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী শিলাদিত্য রক্ষিত। বৃহস্পতিবার সেই মামলারই শুনানি হয় ডিভিশন বেঞ্চে।আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে দাবি করেন, অভিযুক্তকে নিরাপদে হেফাজতে রাখার দায়িত্ব পুলিশের ছিল। তাঁর বক্তব্য, পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ হলে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা নয়। তাই গোটা ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্ত হওয়া উচিত বলে তিনি আদালতে আবেদন জানান।অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, অভিযুক্ত সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। সেই কারণেই পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, বিষয়টি স্পষ্টভাবে বুঝতে পুলিশের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট প্রয়োজন। সেই কারণে জেলা পুলিশকে হলফনামা আকারে ঘটনার পূর্ণ বিবরণ জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।বারুইপুরের এই বহুচর্চিত ঘটনায় হাইকোর্টের এই নির্দেশের পর তদন্তের পরবর্তী অগ্রগতি এখন আদালতের জমা পড়া রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করবে। আগামী সতেরো অগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানিতে সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে আদালত।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! অবশেষে কলকাতায় খুলল তদন্তকারী সংস্থার থানা, বদলে যাবে তদন্তের ছবি?

অবশেষে কলকাতায় চালু হল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার থানা। এতদিন এই সংস্থার কলকাতায় শুধু শাখা দফতর থাকলেও, কোনও মামলার তদন্ত শুরু করতে হলে প্রথমে দিল্লিতে মামলা নথিভুক্ত করতে হত। এবার সেই প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন এল। এখন থেকে কলকাতাতেই মামলা নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করা যাবে। নিউ টাউনের এনবিসিসি স্কোয়ারেই চালু হয়েছে নতুন এই থানা।এতদিন রাজ্যে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আওতায় পড়া কোনও মামলার তদন্ত করতে হলে দিল্লির দফতরে মামলা নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক ছিল। তার পর তদন্তের কাজ শুরু হত। নতুন থানা চালু হওয়ায় সেই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, আগের রাজ্য সরকারের আমলেও এই থানা তৈরির জন্য আবেদন করা হয়েছিল। তবে সেই সময় অনুমোদন মেলেনি। পরে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বিষয়টি নতুন করে বিবেচনা করা হয়। সম্প্রতি রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে থানা চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়।এই থানায় অন্যান্য থানার মতোই ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক, তদন্তকারী আধিকারিক, উপপরিদর্শক এবং কনস্টেবল-সহ প্রয়োজনীয় পদ থাকবে। পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আওতায় পড়া কোনও মামলার তদন্তের প্রয়োজন হলে, সেই তদন্তের প্রশাসনিক কাজ এখন থেকে এই থানার মাধ্যমেই পরিচালিত হবে।বর্তমানে রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত করছে এই সংস্থা। বেলডাঙার অশান্তি, মালদহের মোথাবাড়ি-কাণ্ড এবং বিস্ফোরণের একাধিক মামলায় তদন্ত চলছে। নতুন থানা চালু হওয়ার ফলে ভবিষ্যতে এই ধরনের মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া আরও দ্রুত এবং সহজ হবে বলেই প্রশাসনিক মহলের একাংশের ধারণা।সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের রাজ্য সফরের সময়ও এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তার কিছুদিনের মধ্যেই কলকাতায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার থানার আনুষ্ঠানিক সূচনা হল।

জুলাই ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দেড় কোটির তিনটি চেকই বাউন্স! বড় বিপাকে মহমেডান, প্রেসিডেন্টকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক

আবারও বিতর্কে মহমেডান ক্লাবের সভাপতি হুমায়ুন কবির। ক্লাবকে আর্থিক সাহায্য করার জন্য তিনি মোট দেড় কোটি টাকার তিনটি চেক দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই তিনটি চেকই বাউন্স করেছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মহমেডান ক্লাবের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসে তিন দফায় পঞ্চাশ লক্ষ টাকা করে মোট তিনটি চেক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার পর প্রতিটি চেকই ফেরত আসে। এর ফলে ক্লাবের আগের বকেয়া মেটানো এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক কাজ ব্যাহত হয়েছে। ফিফার ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন ফুটবলার নিবন্ধনেও সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ক্লাবের অন্য কর্তারা উদ্যোগ নিয়ে বকেয়ার একটি অংশ মেটানোর চেষ্টা করেন।এই অভিযোগ প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির দাবি করেছেন, তিনি নিজেই ক্লাবের সভাপতি এবং চেকের দায়িত্বও তাঁর। তাঁর বক্তব্য, ক্লাবের স্বার্থেই চেক দেওয়া হয়েছিল। কয়েক দিনের মধ্যেই টাকা মিটে যাবে। তিনি আরও বলেন, তাঁর অনুমতি ছাড়া আগেভাগে চেক জমা দেওয়া হয়েছে বলেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। কোনও ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।অন্যদিকে ক্লাবের সহ-সভাপতি ওয়াসিম আক্রম জানিয়েছেন, হুমায়ুন কবির যে তিনটি চেক দিয়েছিলেন, সবকটিই ব্যাঙ্ক থেকে ফেরত এসেছে। তাঁর দাবি, নির্ধারিত তারিখেই চেক জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না। এখন খেলোয়াড়দের বকেয়া বেতন মেটানোই ক্লাবের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এই আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও মাঠে জয় দিয়ে ডুরান্ড কাপ অভিযান শুরু করেছে মহমেডান। প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় পেলেও ক্লাবের আর্থিক সমস্যা দ্রুত না মিটলে আগামী দিনে দল পরিচালনা নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সমর্থকদের একাংশ।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! স্কুলের পোশাক থেকে বিদায় বিশ্ব বাংলা, বদলে যাচ্ছে ইউনিফর্মের রংও

রাজ্যের স্কুলগুলিতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এবার স্কুল ইউনিফর্ম নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, স্কুলের ইউনিফর্ম থেকে বিশ্ব বাংলা লোগো তুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বহুদিনের নির্দিষ্ট নীল রঙের ইউনিফর্মের নিয়মেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে।সরকার জানিয়েছে, আগামী দিনে আর সব স্কুলকে একই রঙের ইউনিফর্ম পরতে হবে না। প্রতিটি স্কুল নিজেদের ঐতিহ্য, পরিবেশ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ইউনিফর্মের রং নির্ধারণ করতে পারবে। এর ফলে দীর্ঘদিনের একরঙা পোশাকের পরিবর্তে বিভিন্ন স্কুলে আলাদা পরিচয় তৈরি হবে।সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হল স্কুলগুলির নিজস্ব ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্যকে ফিরিয়ে আনা। একই সঙ্গে ইউনিফর্ম থেকে বিশ্ব বাংলা লোগো সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও কার্যকর করা হবে।শিক্ষা মহলের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে স্কুলগুলি নিজেদের পরিচয় আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারবে। অন্যদিকে, অভিভাবক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেও এই নতুন নিয়ম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নজর, কবে থেকে নতুন ইউনিফর্মের নিয়ম কার্যকর হয় এবং কোন স্কুল কী রঙের পোশাক বেছে নেয়।

জুলাই ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal